Ad Section




Popular Posts

Friday, 5 April 2019

পরিমাপের বিভিন্ন এককসমূহ

পরিমাপের বিভিন্ন এককসমূহ

দৈর্ঘ্য পরিমাপের মেট্রিক এককসমূহ :
 
● দৈর্ঘ্য পরিমাপের একক – মিটার।
● ১০ মিলিমিটার = ১ সেন্টিমিটার
● ১০ সেন্টিমিটার = ১ ডেসিমিটার
● ১০ ডেসিমিটার = ১ মিটার
● ১০ মিটার = ১ ডেকামিটার
● ১০ ডেকামিটার = ১ হেক্টোমিটার
● ১০ হেক্টোমিটার = ১ কিলোমিটার

দৈর্ঘ্য পরিমাপের ব্রিটিশ পদ্ধতির এককসমুহ :
 
● ১২ ইঞ্চি = ১ ফুট
● ৩ ফুট = ১ গজ
● ১৭৬০ গজ = ১ মাইল

দৈর্ঘ্য পরিমাপের মেট্রিক পদ্ধতি ও ব্রিটিশ পদ্ধতির সম্পর্ক
 
● ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি
● ১ কিলোমিটার = ০.৬২ মাইল
● ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার
● ১ গজ = ০.৯১৪৪ মিটার
● ১ মাইল = ১.৬ কিলোমিটার।

ভর পরিমাপের মেট্রিক এককসমূহ :
 
● ভর পরিমাপের মূল একক : গ্রাম
● ১০ মিলিগ্রাম।= ১ সেন্টিগ্রাম
● ১০ সেন্টিগ্রাম = ১ ডেসিগ্রাম
● ১০ ডেসিগ্রাম = ১ গ্রাম
● ১০ গ্রাম = ১ ডেকাগ্রাম
● ১০ ডেকাগ্রাম = ১ হেক্টোগ্রাম
● ১০ হেক্টোগ্রাম = ১ কিলোগ্রাম
● ১০০ কিলোগ্রাম = ১ কুইন্টাল
● ১০০০ কিলোগ্রাম = ১ মেট্রিকটন
● ১০ কুইন্টাল = ১ মেট্রিকটন।

তরল পদার্থের অায়তনের পরিমাপের মেট্রিক এককসমূহ :

● ১০ মিলিলিটার = ১ সেন্টিলিটার
● ১০ সেন্টিলিটার = ১ ডেসিলিটার
● ১ ডেসিলিটার = ১ লিটার
● ১০ লিটার = ১ ডেকালিটার
● ১০ ডেকালিটার = ১ হেক্টোলিটার
● ১০ হেক্টোলিটার = ১ কিলোলিটার

ক্ষেত্রফল পরিমাপের মেট্রিক এককসমূহ :

● ভূমির পরিমাপের মূল একক : বর্গমিটার
● ১০০ বর্গ মিলিমিটার = ১ বর্গ সেন্টিমিটার
● ১০০ বর্গসেন্টিমিটার = ১ বর্গডেসিমিটার
● ১০০ বর্গ ডেসিমিটার = ১ বর্গ মিটার
● ১০০ বর্গ মিটার = ১ বর্গ ডেকামিটার (১ এয়র)
● ১০০ বর্গ ডেকামিটার = ১ বর্গ হেক্টোমিটার (১ হেক্টর)
● ১০০ বর্গ হেক্টোমিটার = ১ বর্গকিলোমিটার

ক্ষেত্রফল পরিমাপের বিট্রিশ একক সমুহ :

● ১৪৪ বর্গ ইঞ্চি = ১ বর্গফুট
● ৯ বর্গ ফুট = ১ বর্গগজ
● ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
● ১০০ শতক (ডেসিমেল) = ১ একর

ক্ষেত্রফল পরিমাপের দেশীয় এককসমূহ :

● ১ বর্গহাত = ১ গণ্ডা
● ২০ গণ্ডা = ১ ছটাক
● ১৬ ছটাক = ১ কাঠা
● ২০ কাঠা = ১ বিঘা

ক্ষেত্রফল পরিমাপেরমেট্রিক ও বিট্রিশ পদ্ধতির সম্পর্ক :

● ১ বর্গসেন্টিমিটার = ০.১৬ বর্গ ইঞ্চি
● ১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট
● ১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
● ১ বর্গ ইঞ্চি = ৬.৪৫ বর্গ সেন্টিমিটার
● ১ বর্গফুট = ৯২৯ বর্গসেন্টিমটার।
● ১ বর্গগজ = ০.৮৪ বর্গ মিটার
● ১ বর্গমাইল = ৬৪০ একর

ক্ষেত্রফল পরিমাপের মেটিক, ব্রিটিশ ও দেশীয় এককের সম্পর্ক :

● ১ বর্গ হাত = ৩২৪ বর্গইঞ্চি
● ৪ বর্গহাত বা ৪ গন্ডা = ৯ বর্গফুট = ০.৮৪ বর্গমিটার
● ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার।
● ১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ = ১৩৩৭.৮ বর্গমিটার
● ১ একর = ৩ বিঘা৮ ছটাক = ৪০৪৬.২৪ বর্গমিটার
● ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট = ১০০০ বর্গ কড়ি
● ১ বর্গমাইল = ১৯৩৬ বিঘা

অায়তন পরিমাপের মেট্রিক এককসমূহ :

● ১০০০ ঘনসেন্টিমিটার = ১ ঘন ডেসিমিটার
● ১০০০ ঘন ডেসিমিটার = ১ ঘনমিটার
● ১০ ঘন মিটার = ১ ঘন স্টেয়র
● ১০ ঘন স্টেয়র = ১ ডেকাস্টেয়র

অায়তন পরিমাপে মেট্রিক ও ব্রিটিশ এককের সম্পর্ক :

● ১ স্টেয়র = ৩৫.৩ ঘনফুট
● ১ ডেকাস্টেয়র = ১৩.০৮ ঘনগজ

সংখ্যা নিয়ে কিছু তথ্য

সংখ্যা নিয়ে কিছু তথ্য

সংখ্যাকে হিসাব ও বিশ্লেষনের সুবিধাধার্থে কয়েকভাগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে এক ভাগের নাম হচ্ছে “বাস্তব সংখ্যা”। এই “বাস্তব সংখ্যা” আবার কয়েকভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। প্রথমেই আমরা জানব বাস্তব সংখ্যা কি।
 বাস্তব সংখ্যাঃ
বাস্তব সংখ্যা হল সেই সকল সংখ্যা যাদের বাস্তব আস্তিত্ব আছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে তাদের ব্যাবহার করে থাকি সাধারণত।
বাস্তব সংখ্যা যে সকল ভাগে বিভক্ত তা হলঃ
১। গণনাকারী বা স্বাভাবিক সংখ্যা,
২। পূর্ণ সংখ্যা,
৩। মূলদ সংখ্যা,
৪। অমূলদ সংখ্যা।

 

গণনাকারী বা স্বাভাবিক সংখ্যাঃ
আমরা প্রতিদিন “সাধারণ গণনা কাজে” যে সকল সংখ্যা ব্যাবহার করি তাই গণনাকারী বা স্বাভাবিক সংখ্যা। এখানে “সাধারণ গণনা কাজ” বলতে বোঝানো হয়েছে আমরা এখানে কোন একক সংখ্যাকে বা এক(১) কে ভাগ করব না। অর্থাৎ অর্ধেক, দেড়, আড়াই, এক চতুর্থাংশ এখানে অন্তর্ভুক্ত নয়। স্বাভাবিক সংখ্যাগুলো হচ্ছে ১,২,৩,৪,৫,৬,……………। উল্লেখ্য শূন্য এখানে অন্তর্ভুক্ত নয়।
পূর্ণ সংখ্যাঃ
আমরা এখন সকল ঋণাত্বক সংখ্যা ও শূন্যকে যদি সকল স্বাভাবিক সংখ্যার সাথে একত্রিত করি তাহলে আমরা যে সংখ্যাগুলো পাব তাই পূর্ণ সংখ্যা। অর্থাৎ স্বাভাবিক সংখ্যা ১,২,৩,৪,৫,৬,………… এবং শূন্য(০) এবং -১,-২,-৩,-৪,-৫,-৬………… এই সবগুলো সংখ্যাকেই পূর্ণ সংখ্যা বলা হয়। এখানে আমরা দেখতে পাই সকল স্বাভাবিক সংখ্যাই পূর্ণ সংখ্যা কিন্তু সকল পূর্ণ সংখ্যাই স্বাভাবিক সংখ্যা নয়।
মূলদ সংখ্যাঃ
উপরের উল্লেখিত সংখ্যাগুলোতে আমরা লক্ষ্য করেছি যে কোন দশমিক সংখ্যা ( যেমন ১ দশমিক ৭৫ অথবা ১/২ অর্থাৎ ০ দশমিক ৫ ) সেখানে অন্তর্ভুক্ত নয়। এইবার আমরা দশমিক সংখ্যাগুলো নিয়ে কাজ করব। দশমিক সংখ্যা আবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ সাধারণ বা সসীম দশমিক এবং পৌনপুনিক দশমিক এবং অসীম দশমিক।
সাধারন দশমিক সংখ্যা বা সসীম দশমিক সংখ্যাঃ
এই দশমিক সংখ্যাগুলোতে দশমিকের ঘরের পরে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক সংখ্যা থাকে। যেমন ২ দশমিক ৫৭৬৮৭২। এখানে ২ এর পর দশমিক এসেছে এবং দশমিকের পর ৫৭৬৮৭২ এসেছে। এখানে আমরা দেখতে পাই যে দশমিক অংশে অর্থাৎ ৫৭৬৮৭২ -এ আমদেশ শেষ দশমিক অংকটি ( এখানে অংক বলতে এই লেখার তৃতীয় অনুচ্ছেদের “অংক” বোঝাচ্ছে ) ২ এবং এর পরে আমরা আর কোন দশমিকের অংক পাচ্ছি না। অর্থাৎ দশমিক এর পরের অংকগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক এবং আলোচ্য ২ দশমিক ৫৭৬৮৭২-এ দশমিকের অংক মোট ছয়টি। যদি কোন সংখ্যায় দশমিকের অংক নির্দিষ্ট থাকে তবে তাকে সসীম দশমিক বলা হয়। যেমন ০ দশমিক ৫ বা ৬ দশমিক ৭৮২৯৩৪৭৮০৯৮৯৮২৩৮৪৯।
পৌনঃপুনিক দশমিক বা আবৃত দশমিকঃ
এই ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু দশমিক সংখ্যা নিয়ে আলোচনা করব যাদের দশমিকের পরে সসীম সংখ্যক বা নির্দিষ্ট সংখ্যক অংক থাকে না তবে একই অংকের বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটে থাকে। যেমন ৪ দশমিক ২৮৫৭১৪২৮৫৭১৪২৮৫৭১৪……… অথবা ৩ দশমিক ৩৩৩৩৩৩৩৩৩……… অথবা ৫ দশমিক ৪৫৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬…………। এই ধরণের দশমিকগুলোতে দশমিকের পরের অংকগুলো সসীম না না হলেও নির্দিষ্ট কিছু অংকের বারবার একই ক্রমে পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকে। দশমিকের পরে এ ধরণের পুনরাবৃত্তি ঘটে যে সকল সংখ্যায় তাদেরকে পৌনঃপুনিক দশমিক বা আবৃত দশমিক বলে।
অসীম দশমিকঃ
যে সকল সংখ্যায় দশমিকের পরে সসীম সংখ্যক অংক থাকে না বা পৌনুপুনিকতাও দেখা যায় না সে সকল সংখ্যাকে অসীম দশমিক বলে। যেমন ২ এর বর্গমূল ১ দশমিক ৪১৪২১৩৫৬২৩৭৩০৯৫০৪৮৮০১…………… অথবা ধরি এমন একটি সংখ্যা ১ দশমিক ০১০০১০০০০১০০০০০০১০০০০০০০০০১………। এখানে দশমিকের পরে না আছে সসীম সংখ্যক অংক, না আছে পৌনঃপুনিকতা। এ ধরনের দশমিককে বলা হয় অসীম দশমিক।
এখন আমরা দেখব এই সকল দশমিকের মধ্যে মূল পার্থক্যটা কোথায়। আমরা লক্ষ্য করে দেখতে পারি যে, সসীম দশমিক বা পৌনঃপুনিক (আবৃত) দশমিক সংখ্যাগুলকে দুইটি “পূর্ণ সংখ্যার” ভগ্নাংশে পরিণত করা যায়। যেমনঃ ০ দশমিক ৫ হল, ১/২; ৩ দশমিক ৩৩৩৩৩৩৩ হল ১০/৩, ৪ দশমিক ২৮৫৭১৪২৮৫৭১৪২৮৫৭১৪………… হল ৩০/৭, ৫ দশমিক ৪৫৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬……..হল ৪৯১১/৯০০, ২ দশমিক ৫৭৬৮৭২ হল ৩২২১০৯/১২৫০০০ । কিন্তু অসীম দশমিকগুলোকে এইরকম দুইটি পূর্ণ সংখ্যার ভগ্নাংশে পরিণত করা যায় না।
মূলদ সংখ্যা হচ্ছে সকল পূর্ণ সংখ্যা (…………-৩,-২,-১,০,১,২,৩………) এবং এই সসীম ও পৌনঃপুনিক সংখ্যাগু
লি। অর্থাৎ অসীম দশমিকগুলো মূলদ সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত নয়। অসীম দশমিকগুলো বাদে বাকী সব সংখ্যাই মূলদ সংখ্যা।
অমূলদ সংখ্যাঃ
সকল অসীম দশমিক সংখ্যাই অমূলদ সংখ্যা। অর্থাৎ মূলদ সংখ্যা বাদে বাকী সকল সংখ্যাই অমূলদ সংখ্যা। এই অমূলদ সংখ্যাগুলকে দুইটি “পূর্ণ সংখ্যা”র ( বাস্তব সংখ্যার ২য় ভাগ) ভগ্নাংশরুপে প্রকাশ করা যায় না। কয়েকটি “স্বাভাবিক সংখ্যা”র বর্গমুল যেমনঃ ২ বা ৩ এর বর্গমূল অমূলদ সংখ্যা। অমূলদ সংখ্যাকে কোন স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা গুণ-ভাগ বা যোগ-
বিয়োগ করলেও তা অমূলদ সংখ্যা হয়। যেমন বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত একটি অমূলদ সংখ্যা। যদি কোন বৃত্তের ব্যাস মুলদ সংখ্যা হয় তবে তার পরিধি একটি অমূলদ সংখ্যা।
আমরা বাস্তব জীবনে সংখ্যার এই চারটি রুপই দেখতে পাই সাধারণত। তাই এই সকল সংখ্যাকে বাস্তব সংখ্যা বলা হয়ে থাকে।

Monday, 28 January 2019

নবম অধ্যায় বস্তুর উপর তাপের প্রভাব (গাণিতিক সমস্যা)

নবম অধ্যায় বস্তুর উপর তাপের প্রভাব (গাণিতিক সমস্যা)

নবম অধ্যায়
বস্তুর উপর তাপের প্রভাব
“গাণিতিক সমস্যা”


০১. 0oC তাপমাত্রায় লম্বা একটি অ্যালুমিনিয়ামের পাতের  তাপমাত্রা  200 o C এ উন্নীত করা হল। যদি অ্যালুমিনিয়ামের  দৈর্ঘ্য প্রসারন সহগ 23.8×10-6 K-1 হয় তবে পাতের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি কত হবে? [0.476 cm ]

০২. 0oC তাপমাত্রায় এক খন্ড তামার পাতের  দৈর্ঘ্য 40m ও 50m। 30 o C তাপমাত্রায় এই পাতের ক্ষেত্রফল  2002m2 । তামার ক্ষেত্র প্রসারন সহগ নির্ণয় কর। [33.33×10-6 K-1]

০৩. 40o C তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য 100m দীর্ঘ লোহার রেল লাইনের দৈর্ঘ্য কত বৃদ্ধি পাবে? লোহার আয়তন  প্রসারন সহগ34.8×10-6 K-1 ।  [0.046m]

০৪. 0oC তাপমাত্রায় একটি সীসার গুলির আয়তন 2.5×10-6 m3। 98oC তাপমাত্রায় এর আয়তন 0.021×10-6 m3 বৃদ্ধি পায়। সীসার আয়তন, ক্ষেত্র ও দৈর্ঘ্য প্রসারন সহগ নির্ণয় কর।
[85.6×10-6 K-1, 57.2×10-6 K-1, 28.6×10-6 K-1 ]

০৫. 0oC তাপমাত্রায় একটি সীসার গুলির আয়তন 25cm3 ।100oC তাপমাত্রায় এর আয়তন কত হবে? সীসার দৈর্ঘ্য প্রসারন সহগ 27.6×10-6 K-1 । [25.207 cm3]

০৬. 0oC তাপমাত্রায় 100cm3  গ্লিসারিনের তাপমাত্রা  20oCতাপমাত্রায় এর প্রসারন 1.06cm3 ।  গ্লিসারিনের প্রকৃত প্রসারন সহগ নির্ণয় কর। [53 ×10-5 K-1]

০৭. 0oC তাপমাত্রায়  একটি বস্তুর দৈর্ঘ্য 6m ও প্রস্থ  3m । এর ক্ষেত্র প্রসারন সহগ 23.2×10-6 K-1 হলে । 30oC তাপমাত্রায় এর ক্ষেত্রফল কত হবে?  [18.0125m2]

পদার্থ বিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ন নৈর্ব্যত্তিক

পদার্থ বিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ন নৈর্ব্যত্তিক

পদার্থ বিজ্ঞানের কিছু গুরুত্বপূর্ন নৈর্ব্যত্তিক

  • পদার্থের ক্ষুদ্রতমা কণা – অণু ।
  • পদার্থের স্থায়ী মূল কণিকা – ইলেকট্রোন, প্রোটন ও নিউট্রন ।
  • তেজস্ক্রিয় রশ্মিতে থাকে – আলফা, বিটা ও গামা কনিকা ।
  • পদার্থের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যা – পরস্পর সমান ।
  • পৃথিবী ও উহার নিকটস্থ মধ্যকার বস্তুর আকর্ষণ বলকে বলে – অভিকর্ষ বল ।
  • বরফ গলনের সুপ্ত তাপ – ৮০ ক্যালরি ।
  • ০ সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় শব্দের গতি – ৩৩২ মিটার/সেকেন্ড ।
  • সুর্যোদয় ও সুর্যাস্তের সময় আকাশ লাল দেখায় – লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি বলে ।
  • সূর্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মি – সৌর রশ্মি ।
  • পৃথিবী ঘূর্ণায়নের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না – মধ্যাকর্ষণের জন্য ।
  • প্রেসার কুকারে রান্না তারাতারি হওয়ার কারন – উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায় ।
  • চা তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয় – কালো রংয়ের কাপে (কাল রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি)।
  • চা দেরীতে ঠান্ডা হয় – সাদা রংয়ের কাপে (সাদা রংয়ের তাপ শোষণ ক্ষমতা কম)।
  • শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি – কঠিন মাধ্যমে ।
  • শব্দের গতি সবচেয়ে কম – বায়বীয় মাধ্যমে ।
  • তিনটি মূখ্য বর্ণ – লাল, সবুজ ও নীল ।
  •  সে: তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব – সর্বোচ্চ ।
  • ইউরেনিয়াম, নেপচুনিয়াম প্লুটোনিয়াম হল – তেজস্ক্রিয় পদার্থ ।
  • রাবারের স্থিতিস্থাপকতা কম এবং লোহা বা ইস্পাতের স্থিতিস্থাপকতা বেশি ।
  • উন্নত ধরণের বিস্ফোরোক আবিষ্কার করে ধনী হয়েছিলেন – আলফ্রেড নোবেল ।
  • ডিজিটাল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ঠ – ডিজিটাল সিগনাল ডেটাবেজ ।
  • পীট কয়লা – ভিজা ও নরম ।
  • তাপ আটকা পড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে বলে – গ্রীনহাউজ ইফেক্ট।
  • পরমাণু ভেঙ্গে প্রচন্ড শক্তি সৃস্টি করাকে বলে – ফিউশন বিক্রিয়া ।
  • বায়ু এক প্রকার – মিশ্র পদার্থ ।
  • লোহার উপর দস্তার প্রলেপ দেয়াকে বলে – গ্যালভানাইজিং ।
  • আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে - মরিচিকায় ।
  • পানি বরফে পরিণত হলে – আয়তনে বাড়ে ।
  • পানি কঠিন, তরল ও বায়বীয় অবস্থায় থাকতে পারে ।
  • বৈদুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট তৈরী – টাংস্টেন দিয়ে ।
  • CFC বা ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ধ্বংস করে - ওজন স্তর ।
  • ডুবোজাহাজ হতে পানির উপরে দেখার জন্য ব্যবহৃত হয় – পেরিস্কোপ ।
  • ব্যাটারি হতে পাওয়া যায় – ডিসি কারেন্ট ।
  • সর্বোত্তম তড়িৎ পরিবাহক – তামা ।
  • ডিনামাইট আবিস্কার করেন – আলফ্রেড নোবেল ।
  • পারমাণবিক চুল্লিতে মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয় – গ্রাফাইট ।
  • শব্দের চেয়ে দ্রুত গতিতে চলে – সুপারসনিক বিমান ।
  • বায়ুতে বা শুণ্য স্থানে শব্দের গতি – ৩x১০১০ সে. মি. ।
  • কাঁচা লোহা, ইস্পাত ও কোবাল্ট – চুম্বক পদার্থ ।
  • আলোর নিয়মিত প্রতিফলণ ঘটে – দর্পনে ।
  • স্টিফেন হকিন্স একজন – পদার্থবিদ ।
  • পেট্রোলিয়াম, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা ইত্যাদি – জীবাস্ম জালানি ।
  • জীব-জগতের সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি – অতি বেগুণী রশ্মি ।
  • এক্সরে এর একক – রনজেন ।
  • তেজস্ক্রীয়তার একক কুরি ও এর আবিস্কারক – হেনরী বেকুইরেল ।
  • রেডিয়াম আবিস্কার করেন – মাদাম কুরি ।
  • পারমাণবিক বোমা উৎপন্ন হয় – ফিশন পদ্ধতিতে ।
  • হাইড্রোজেন বোমা উৎপন্ন হয় – ফিউশন পদ্ধতিতে ।
  • পারমানবিক ওজন = প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন ।
  • প্লবতা সূত্র আবিস্কার করেন – আর্কিমিডিস ।
  • দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিস্কার করেন – গ্যালিলিও ।
  • গতির সূত্র আবিস্কার করেন – নিউটন ।
  • আপেক্ষিকতার সূত্র আবিস্কার করেন – আলবার্ট আইনস্টাইন ।
  • মৌলিক রাশিগুলো হলো – দৈর্ঘ, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন ক্ষমতা ও পদার্থের পরিমাণ।
  • লব্ধ রাশি – বল, ত্বরণ, কাজ, তাপ, বেগ প্রভৃতি ।
  • ভেক্টর রাশি – সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল, তড়িৎ প্রাবল্য, মন্দন, ভেদাঙ্ক ইত্যাদি ।
  • স্কেলার রাশি – দৈর্ঘ, ভর, দ্রূতি, কাজ, তড়িৎ বিভব, সময়, তাপমাত্রা ইত্যাদি ।
  • পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি হল – এস. আই. S. I. ।
  • ভর হচ্ছে পদার্থের – জড়তার পরিমাণ।
  • এই মহাবিশ্বে পরম স্থিতিশীল এবং পরম গতিশীল বলে কিছু নেই ।
  • নিউটনের গতি সূত্র – তিনটি ।
  • নিউটনের বিখ্যাত বই – “ন্যচারাল ফিলোসোফিয়া প্রিন্সিপিয়া ম্যাথমেটিকা” ।
  • বিদ্যুৎ শক্তির হিসাব করা হয় – কিলোওয়াট / ঘন্টা kw/h ।
  • ১ অশ্ব শক্তি (H.P.) = ৭৪৬ ওয়াট বা ৫৫০ ফুট-পাউন্ডাল শক্তি ।
  • মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল – মহাকর্ষ বল ।
  • পৃথিবী ও বিশ্বের যে কোন বস্তুর মধ্যকার পারস্পারিক আকর্ষণ বল হল – অভিকর্ষ বল ।
  • অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান – পৃথিবীর কেন্দ্রে শূন্য, বিষুবীয় অঞ্চলে সবচেয়ে কম, মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশী ।
  • চন্দ্র পৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর মান পৃথিবীর মানের ১/৬ ভাগ ।
  • পৃথিবীর মুক্তিবেগ - ১১.২ কি.মি./সে. ।
  • মঙ্গল গ্রহের মুক্তি বেগ – ৫.১ কি.মি./সে. ।
  • গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র কয়টি – তিনটি ।
  • ইস্পাত ও রাবারের মধ্যে বেশী স্থিতিস্থাপক – ইস্পাত ।
  • বস্তুর কম্পনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয় – শব্দ ।
  • পানির তরঙ্গ, আলোক তরঙ্গ, তাপ তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ ইত্যাদি হলো – অনুপ্রস্থ বা আড় তরঙ্গ ।
  • শব্দ তর তরঙ্গ হলো – অনুদৈর্ঘ বা লাম্বিক তরঙ্গ ।
  • পানিতে ঢিল ছুড়লে চলমান যে তরঙ্গের সৃষ্ঠি হয় – অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ।
  • টানা তারের সূত্র কয়টি – তিনটি ।
  • শব্দ সঞ্চালনের জন্য প্রয়োজন – জড় মাধ্যমের ।
  • শুন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ – শুন্য ।
  • স্বাভাবিক অবস্থায় বাতাসে শব্দের দ্রুতি – ৩৩২ মি./সে. ।
  • স্বাভাবিক অবস্থায় পানিতে শব্দের দ্রুতি – ১৪৫০ মি./সে. ।
  • স্বাভাবিক অবস্থায় লোহায় শব্দের দ্রুতি – ৫২২১ মি./সে. ।
  • শব্দের বেগের উপর প্রভাব আছে – তাপ, আদ্রতা ও বায়ু প্রবাহ ।
  • শ্রাব্যতার সীমা – ২০-২০০০০ Hz ।
  • ইনফ্রাসোনিক বা শব্দোত্তর বা অশ্রুতি শব্দ – ২০ Hz
  • আল্ট্রাসোনিক বা শব্দোত্তর শব্দ – ২০০০০ Hz এর বেশী ।
  • প্রতিধ্বনি শোনার জন্য সময়ের প্রয়োজন – ০.১ সে. ।
  • প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলক ও উৎসের মধ্যে নুন্যতম দূরত্ব – ১৬.৬ মিটার ।
  • কোন শব্দ মানুষের কর্ণকুহরে প্রবেশ করলে বধির হয় – ১০৫ ডেসিবেলের উপর সৃষ্ঠ শব্দ ।
  • বাদুর চলাচলের সময় কি প্রয়োগ করে – প্রতিধ্বনি ।
  • তাপ এক প্রকার – শক্তি ।
  • পানির স্বাভাবিক স্ফুটনাংক স্বাভাবিক চাপে -১০০ সেলসিয়াস ।
  • প্রেসার কুকারের মূলনীতি – চাপে পানি বেশী তাপমাত্রায় ফুটে ।
  • ভূ-পৃষ্ঠ হতে যত উপরে উঠা যায় তত কমে – স্ফুটনাংক ।
  • বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা নির্ভর করে – রঙের উপর ।
  • শীতকালে রঙিন কাপড় আরামদায়ক ।
  • গরমকালে সাদা কাপড় আরামদায়ক ।
  • পেট্রোল ইঞ্জিন আবিস্কৃত হয় – ১৮৮৬ ইং সালে ।
  • ফ্রেয়নের রাসায়নিক নাম – ডাই-ক্লোরো ডাই ফ্লোরো মিথেন ।
  • ফারেনহাইট ও সেলসিয়াস স্কেলে সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে – (- ৪০০ ) তাপমাত্রায় ।
  • স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষের উপর প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ – ১৫ পাউন্ড ।
  • ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে দাগ কাটা থাকে – (৯০ -১১০) F ।
  • থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহারের কারণ – অল্প তাপে আয়তন বৃদ্ধি পায় ।
  • আলো এক প্রকার – শক্তি ।
  • আলোক মাধ্যম - তিনটি , ১) স্বচ্ছ, ২) ঈষদ স্বচ্ছ ও ৩) অস্বচ্ছ ।
  • প্রতিফলনের সূত্র - দুইটি ।
  • প্রতিসরণের সূত্র - দুইটি ।
  • পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের শর্ত – দুটি ।
  • সাদা আলো সাতটি বর্ণের সমাহার ।
  • লেন্স দুই প্রকার ১) অপসারী, ২) অভিসারী।
  • দৃষ্টির ত্রুটি মোট চারটি – ১) হ্রস্ব দৃষ্টি, ২) দীর্ঘ দৃষ্টি, ৩) বার্ধক্য দৃষ্টি ও ৪) বিষম দৃষ্টি বা নকুলা ।
  • তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি – লাল আলোর ।
  • তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম – বেগুনী আলোর ।
  • বিক্ষেপণ কম – লাল আলোর ।
  • বস্তুর বর্ণ পদার্থের কোন ধর্ম নয়, এটি আলোকের একটি ধর্ম ।
  • নীল কাচের মধ্য দিয়ে হলুদ ফুল – কালো দেখায় ।
  • লাল আলোতে গাছের পাতা – কালো দেখায় ।
  • নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল – নীল দেখায় ।
  • লাল ফুলকে সবুজ আলোয় – কালো দেখায় ।
  • সূর্য রশ্মি শরীরে পড়লে – ভিটামিন ডি তৈরী হয় ।
  • সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ – গামা রশ্মি ।
  • সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ – বেগুণী রশ্মি ।
  • শরীরের ত্বকে ভিটামিন তৈরীতে সাহায্য করে – পরিমিত অতিবেগুণী রশ্মি ।
  • আমাদের দর্শনাভূতির স্থায়িত্বকাল – ০.১ সেকেন্ড ।
  • যে সকল বস্তুর আকর্ষণ ও দিকনির্দশক ধর্ম আছে – চম্বুক পদার্থ ।
  • চৌম্বকের চুম্বকত্ব একটি – ভৌত ধর্ম ।
  • চৌম্বকের প্রকারভেদ – ১) প্রাকৃতিক চৌম্বক, ২) কৃত্রিম চৌম্বক ও ৩) তড়িৎ চৌম্বক ।
  • চৌম্বক পদার্থ – টিন, আয়রণ, কপার, কোবাল্ট, নিকেল ইত্যাদি ।
  • চৌম্বক পদার্থের প্রকারভেদ – ১) ডায়া চৌম্বক, ২) প্যারা চৌম্বক ও ৩) ফেরো চৌম্বক ।
  • মেরু অঞ্চলে চৌম্বকের আকর্ষণ – সবচেয়ে বেশী ।
  • পৃথিবীর চৌম্বক উত্তর মেরু আসলে - পৃথিবীর ভৌগলিক দক্ষিণ ।
  • তড়িৎ দুই প্রকার – ১) স্থির তড়িৎ ও ২) চল তড়িৎ ।
  • চল তড়িৎ দুই প্রকার – ১) এ. সি. তড়িৎ ২) ডি. সি. তড়িৎ ।
  • আমদের দেশে তড়িৎ প্রবাহ সেকেন্ডে দিক পরিবর্তন করে – ৫০ বার ।
  • ডি. সি. প্রবাহ পাওয়া যায় – ব্যাটারি থেকে ।
  • রোধ পরিবাহীর চারটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে – ১) উপাদান, ২) দৈর্ঘ্য, ৩) প্রস্থচ্ছেদ ও ৪) তাপমাত্রা ।
  • মাধ্যম তিন প্রকার – ১) পরিবাহী, ২) অর্ধপরিবাহী, ৩) অন্তরক বা অপরিবাহী।
  • রাডার (Radar) হলো – Radio Detection and Ranging ।
  • অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা পাস এর কাজে ব্যবহৃত হয় – পূর্ণঅভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ।
  • ইলেকট্রনিক্স এর যাত্রা শুরু – ট্রানজিস্টরের আবিস্করের সময় ।
  • ক্যামেরার লেন্সের পেছনের পর্দায় আস্তরণ দেয়া হয় – সিজিয়াম দিয়ে ।


নমুনা প্রশ্ন

নমুনা প্রশ্ন

নিচের উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
নিচে পারমাণবিক সংখ্যা উল্লেখপূর্বক তিনটি মৌলের কাল্পনিক প্রতীক দেয়া হলোঃ
X (7), Y (8), Z (3)
ক. কোন নিষ্ক্রিয় গ্যাসের শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সেট অষ্টক নয়?
খ. আয়নিক যৌগের গলনাংক ও স্ফুটনাংক সমযোজী যৌগ অপেক্ষা বেশি হওয়ার কারণ কী?
গ. Y ও Z এর মধ্যকার রাসায়নিক বন্ধন তৈরির প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।
ঘ. “একাধিক মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা থেকে তাদের মধ্যে গঠিত যৌগের ধর্ম সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া যায়” – উক্তিটি উদ্দীপকে উল্লেখিত X ও Y মৌলের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

নমুনা উত্তর
ক. হিলিয়ামের শেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন সেট অষ্টক নয়।

খ. সমযোজী যৌগের অণুসমূহ পরস্পরের সাথে দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস বল দ্বারা আকৃষ্ট থাকে। পক্ষান্তরে, আয়নিক যৌগে প্রতিটি আয়ন তার চতুর্দিকে বিপরীত আধানযুক্ত আয়ন দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে এক বিশেষ ধরনের জালিকা তৈরি করে শক্তিশালী বলে আবদ্ধ থাকে।
কোনো সমযোজী যৌগকে কঠিন থেকে তরলে ও তরল থেকে বায়বীয় অবস্থায় রূপান্তরিত করতে শুধুমাত্র দুর্বল ভ্যানডার ওয়ালস বলকে অতিক্রম করতে হয়। পক্ষান্তরে, কঠিন আয়নিক যৌগকে তরলে ও তরল থেকে বায়বীয় অবস্থায় নিতে প্রতিটি আয়নকে তার চতুর্দিকের বিপরীত আধানগুলোর সাথে বিদ্যমান শক্তিশালী বন্ধন ছিন্ন করতে হয় এবং সেক্ষেত্রে প্রচুর তাপশক্তি ব্যয় করতে হয়। এই কারণে আয়নিক যৌগের গলনাংক ও স্ফুটনাংক সমযোজী যৌগ অপেক্ষা বেশি।

গ. প্রতিটি পরমাণু নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস লাভ করে স্থিতিশীল হতে চায়। এটি করার জন্য পরমাণুসমূহ ইলেকট্রনের আদান প্রদান কিংবা শেয়ার করে এবং রাসায়নিক বন্ধনে জড়িয়ে পড়ে।
প্রদত্ত উদ্দীপকের Y ও Z মৌল এবং তাদের নিকটবর্তী নিষ্ক্রিয় মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস নিম্নরূপঃ
Z (3) = 2, 1 He (2) = 2
Y (8) = 2, 6 Ne (10) = 2, 8

এখানে, Z মৌলটি He (হিলিয়াম) এর মত ইলেকট্রন বিন্যাস পেতে একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করবে এবং Y মৌলটি Ne (নিয়ন) এর মত ইলেকট্রন বিন্যাস পেতে দুইটি Z পরমাণু থেকে একটি করে মোট দুইটি ইলেকট্রন গ্রহণ করবে। এতে Z পরমাণুটি ধনাত্মক ও Y পরমাণুটি ঋণাত্মক চার্জে চার্জিত হয়ে পরস্পরকে আকর্ষণ করবে ও একটি আয়নিক যৌগ তৈরি করবে যার আণবিক সংকেত হবে Z2Y।
ঘ. আমরা জানি, নিউট্রাল অবস্থায় একটি পরমাণুর ইলেকট্রন সংখ্যা তার পারমাণবিক সংখ্যার সমান। এই ইলেকট্রন সংখ্যা থেকে সহজে একটি পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস লেখা যায়। উদ্দীপকে উল্লেখিত X ও Y মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 7 ও 8। সুতরাং নিউট্রাল অবস্থায় এদের ইলেকট্রন সংখ্যা হবে যথাক্রমে 7 ও 8 এবং ইলেকট্রন বিন্যাস হবে নিম্নরূপঃ
X (7) = 2, 5
Y (8) = 2, 6
আবার আমরা জানি,যে সকল পরমাণুর সর্ববহিঃস্থ কক্ষপথে 5, 6 বা 7 টি ইলেকট্রন থাকে তারা অধাতু হয়। এবং একাধিক অধাতু পরমাণু পরস্পরের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
উপরোক্ত কারণে X ও Y মৌল দুটি অধাতু হবে এবং নিজেদের মধ্যে সমযোজী যৌগ গঠন করবে। এক্ষেত্রে সমযোজী যৌগের সাধারণ ধর্ম অনুসারে বলা যায়, X ও Y এর মধ্যকার গঠিত যৌগটির গলনাংক ও স্ফুটনাংক কম হবে, ইহা পানিতে দ্রবীভূত হবে না এবং বিদ্যুৎ অপরিবাহী হবে ইত্যাদি।
সুতরাং আমরা বলতে পারি, দু’টি পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা থেকে এদের মধ্যকার গঠিত যৌগের প্রকৃতি ও ধর্ম সম্বন্ধে ধারণা পাওয়া যায়।

Subscribe Now

Rinku Roy Orko Distributed by Blog Templates